
আলমগীর আলম, পটিয়া।
মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ গঠনের আহ্বান জানিয়ে পটিয়াস্থ সৃজনশীল সাহিত্য গোষ্ঠী মালঞ্চ-এর চার যুগপূর্তি উপলক্ষে সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানের বক্তারা বলেন, সমাজে চলমান অবক্ষয় থেকে উত্তরণ এবং একটি সুন্দর সমাজ বিনির্মাণে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আদর্শকে ধারণ করে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।
গত ২২ জুন সকালে পটিয়া পৌরসদরের খলিলুর রহমান মহিলা ডিগ্রি কলেজ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী সভায় সভাপতিত্ব করেন মালঞ্চের সভাপতি অধ্যাপক অজিত কুমার মিত্র।
অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার অন্যতম আসামি মানিক চৌধুরীর উত্তরসূরি, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সমাজসেবক দীপংকর চৌধুরী কাজল। বিশেষ অতিথি ছিলেন খলিলুর রহমান মহিলা ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন এবং পটিয়া আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট কবিশেখর নাথ পিন্টু।
এ সময় বক্তব্য রাখেন পটিয়ার সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক অভিজিৎ বড়ুয়া মানু, পটিয়া আইন কলেজ পরিচালনা বোর্ডের সাধারণ সম্পাদক ও মালঞ্চের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম, মালঞ্চের সাধারণ সম্পাদক ও শিশুসাহিত্যিক শিবুকান্তি দাশ, ভাস্কর শিল্পী শুভাশীষ দাশ রূপক, প্রতিযোগিতা উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক ভগীরথ দাশ, আবদুর রহমান রুবেল, নজরুল ইসলাম, গিয়াস উদ্দিন সেলিম, সোহেল পারভেজ সুমন, অ্যাডভোকেট মাঈনুল ইসলাম সুমন, শিল্পী নয়ন দে এবং হামিদ হাসান প্রমুখ।
উদ্বোধনী বক্তব্যে শিক্ষাবিদ দীপংকর চৌধুরী কাজল বলেন, “মুক্তিযুদ্ধ আমাদের গৌরব ও অহংকার। স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি সেই গৌরবকে ম্লান করে দিতে চায়। দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চলছে।
এসব অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সবাইকে একাত্তরের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও চেতনা নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
উল্লেখ্য, এ সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় পটিয়ার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তিন শতাধিক শিক্ষার্থী আবৃত্তি, সংগীত, রচনা, চিত্রাঙ্কনসহ বিভিন্ন বিভাগে অংশগ্রহণ করে। এতে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও সংস্কৃতিপ্রেমীদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
Leave a Reply